টিআইএন বা টিন সম্পর্কে অনেকেরই জানার অনেক আগ্রহ রয়েছে। আমরা এটা এর জন্যই বুঝতে পারছি যে, অনেকে আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন এবং তারা টিআইএন বা টিন সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। আমরা আপনাদেরকে সেই সময়ে কোন তথ্য প্রদান করিনি। কেননা TIN সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য গুলো কোন ওয়েবসাইটেই প্রকাশ করা হয়নি। আমরা যখন এ সকল বিষয় সম্পর্কে জানতে পারলাম। তখন আমরা একটি পূর্ণাঙ্গ প্রবন্ধ আপনাদের জন্য লিখে ফেললাম। এই প্রবন্ধটি আপনাদের প্রত্যেকের অবশ্যই পড়া উচিত।
কেননা টিআইএন বা টিন সম্পর্কে আপনারা যারা আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন। তাদের জন্যই এই প্রবন্ধটি সাজানো হয়েছে। আমরা আশা করব আপনারা প্রত্যেকে এই প্রবন্ধটি অবশ্যই মনোযোগ সহকারে পড়বেন। টিআইএন বা টিন হলো এক ধরনের আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার। এটি একটি বিশেষ ধরনের নাম্বার। যার সাহায্যে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি করদাতাকে শনাক্ত করা হয়।
প্রত্যেকটি কর্যতা সঠিকভাবে কর প্রদান করছে কিনা সেটি বিভাজন করা হয়। tin সার্টিফিকেট মূলত কর্তাদের নাম্বারটি বহন করে থাকে। করদাতা যখন কর প্রদান করে তখন এই টিন সার্টিফিকেটের মাধ্যমে তাদের কর্ম নিশ্চিত করা হয় এবং কর গ্রহণ বা প্রদান করা হয়। একজন কর্ডাটা যখন কর প্রদান করেন তখন তার পরিচয় হিসেবে এই টিন নাম্বারটি নির্ধারণ করা হয়। একজন করদাতা যে কর প্রদান করছেন কত টাকা কর প্রদান করছেন বা কোন সময়ে কত টাকা কর প্রদান করছেন। এমনকি যদি কারো কর বাকি থাকে সেটিও এই টিন নাম্বার দ্বারা অতি সহজে জেনে নেওয়া সম্ভব।
TIN এর পূর্ণরূপ:- Taxpayer Identification Number
টিআইএন এর পূর্ণরূপ কি
টি আই এন এর পূর্ণরূপ আপনারা উপরের অংশে জেনেছেন। টিআইএন এর পূর্ণরূপ হল ট্যাক্সপেয়ার আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার। যে ব্যক্তি ট্যাক্স প্রদান করেন সেই ব্যক্তির যে পরিচয়টি থাকে বাজে নম্বরের মাধ্যমে সেই ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয় সেটি হলো টিআইএন বা টিন নাম্বার। একজন করদাতার রেজিস্ট্রেশন এবং কর প্রদান কৃত সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয় এই টিন নাম্বার থেকে। TIN নাম্বারটি মূলত ১২ ডিজিটের একটি নাম্বার।
এই নাম্বারটি কখনোই হারানো উচিত নয়। যদি কেউ টিন নাম্বারটি হারিয়ে ফেলে তবে পুনরায় তাকে tin নম্বরটি উদ্ধার করতে হলে আবারও আবেদন করতে হবে। একজন ব্যক্তি তখনই টিন নম্বরের জন্য আবেদন করতে পারবেন যখন একজন ব্যক্তির বছরে উপার্জন ২৭৫০০০ টাকার উপরে হবে। তাছাড়া একজন ব্যক্তি কখনো টিন নম্বরের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। একজন ব্যক্তি যখন ২ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকার উপরে আয় করবেন। তখন একজন ব্যক্তি কে ইনকাম ট্যাক্স দিতে হবে।
ইনকাম ট্যাক্স প্রদানের সময় প্রত্যেকটি ব্যক্তিকে অবশ্যই টিন নম্বর সংগ্রহ করতে হবে এবং টিন নম্বর প্রদানের পরেই যে কেউ চাইলে ট্যাক্স প্রদান করতে পারবে বা টিআইএন নম্বরটি পাবে। আপনার কাছে যদি টিন নম্বর থাকে বা আপনার কাছে যদি টিআইএন নম্বর থাকে তাহলে আপনি যে কোন মুহূর্তে যে কোন স্থান থেকে আপনার আইকর প্রদান করতে পারবেন বা ইনকাম ট্যাক্স প্রদান করতে পারবেন। আর আমরা যেহেতু বাংলাদেশের নাগরিক সেহেতু আমাদের প্রত্যেককে ইনকাম ট্যাক্স প্রদান করা উচিত।
