বাংলাদেশ হল একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ । ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে প্রায় ৩০ লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে এবং প্রায় আড়াই লক্ষ মা-বোনদের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। অনেক মানুষ দেখা যায় যে বাংলাদেশ সম্পর্কে জানতে চায়। বাংলাদেশ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য সার্চ করে। আর তাদের জন্য মূলত আমাদের আজকের আর্টিকেলটি লেখা হয়েছে। তারা খুব সহজে এখান থেকে বাংলাদেশ সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা লাভ করতে পারবেন বলে আশা করছি। এজন্য আমাদের আজকের আর্টিকেলটি পড়তে পারেন। কারণ এখান থেকে আপনি খুব সহজে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিষয় জানতে পারবেন। আমরা এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে বাংলাদেশ সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয়ে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ। পুরো দেশ জুড়ে নদ-নদী চালের মতো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। আর এ দেশের নদীর সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ার কারণে এই দেশের আবহাওয়া অনেক আদ্র। আর এ দেশ বিভিন্ন ফসল উৎপাদনের উপযোগী। তাইতো দেখা যায় যে বাংলাদেশে অনেক সূজলা-সুফলা ফসল উৎপন্ন হয়। আবার ছেলেরা মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। আর বাংলাদেশের মানুষের প্রধান মাছ বা জাতীয় মাছ হচ্ছে ইলিশ। নদীর ধারের বা নদীর আশেপাশের মানুষেরা সাধারণত মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। এদিক থেকে মাছ ধরার মাধ্যমে তাদের যেমন অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটছে, তেমনি ভাবে বাংলাদেশের মানুষের মাছের চাহিদা পূরণ হচ্ছে। আর নদীমাতৃক দেশ হওয়ায় বাংলাদেশের আবহাওয়া অনেক আর্দ্র এবং সুন্দর থাকছে। যা বিভিন্ন ফসল উৎপাদনের জন্য বিশেষ উপযোগী।
আমার বাংলাদেশের স্বাধীনতা এমনি এমনি আসেনি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পিছনে রয়েছে এক বিশাল ইতিহাস। বাংলাদেশ বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে শাসিত হয়েছে, শোষিত হয়েছে। ব্রিটিশরা এই দেশ ২০০ বছর শোষণ করেছিল। ব্রিটিশদের এই দেশ চলে যাওয়ার পরেও বাংলাদেশ আসলে স্বাধীনতার সুফল ভোগ করতে পারেনি। ব্রিটিশদের ন্যায় পশ্চিম পাকিস্তানিরাও পূর্ব পাকিস্তানি তথা বাংলাদেশীদের বিভিন্নভাবে নির্যাতন শাসন ও শোষণ চালিয়েছে। এর থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বাঙালিরা সোচ্চার হয়ে উঠেছিল এবং দীর্ঘসংগ্রামের পর ১৯৭১ সালে দীর্ঘ ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করেছে। আর বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান ব্যক্তি বা নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এজন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বলা হয় বাঙালি জাতির পিতা এবং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা।
তাছাড়া বাংলাদেশের বিভিন্ন সাহিত্যে রয়েছে সুপ্রাচীন ইতিহাস। বিভিন্ন কবি-সাহিত্যিকরা বাংলাদেশের ঐতিহ্য তাদের লেখনীর মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। তাছাড়া বিভিন্ন বিদেশি পর্যটকরা বাংলাদেশ ভ্রমনে এসে বাংলাদেশের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়েছেন এবং তাদের লেখনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যও তারা তুলে ধরেছেন। এখান থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন সভ্যতা বা বিভিন্ন গৌরবময় ইতিহাস ঐতিহ্য সম্পর্কে ধারণা অর্জন করা সম্ভব হয়। আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ আমাদের নিকট অত্যন্ত গৌরবের বিষয়, অত্যন্ত গর্বের বিষয়। আর এই বাংলাদেশকে ভালবেসে আমরা শ্রদ্ধার সাথে যে সকল ব্যক্তি বাংলাদেশের স্বাধীনতার সাথে জড়িত তাদের স্মরন করে যায়।
