Iad এর পূর্ণরূপ কি

Iad এর পূর্ণরূপ কি

আমরা অনেকেই ইন্টারনেটের প্রতি আসক্ত। আমরা ইন্টারনেট ব্যবহারের প্রতি আসক্ত। ইন্টারনেট সম্পর্কে অনেকেই হয়তো এমনও কিছু তথ্য রয়েছে যে সকল তথ্যগুলো আপনারা কখনোই শোনেননি কখনোই জানেননি। তবে আপনি সে সকল বিষয়গুলো জানার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে থাকেন কিন্তু কোন ভাবে জানতে পারেন না। তবে আপনাকে বলতে চাই আপনি যদি আমাদের প্রবন্ধ কোন নিয়মিত পড়েন তাহলে সকল বিষয় সম্পর্কে জেনে নিতে পারবেন। আজকে আমরা IAD নিয়ে আপনাদের সামনে আলোচনা করতে চাচ্ছি।

এটি মূলত মানুষের ইন্টারনেট আসক্তির একটি বিষয়। মানুষ কিভাবে ইন্টারনেটের প্রতি এতটা আসক্ত হয়ে যাচ্ছে? মানুষ কিভাবে ইন্টারনেটকে গ্রাস করছে? আর ইন্টারনেট কিভাবে মানুষকে গ্রাস করছে? সে সকল বিষয়গুলো নিয়ে আইএডি আলোচনা করে। আপনারা জানেন যে, আপনাদের আশেপাশে এমনও অনেক ছোট শিশু সন্তান রয়েছে যারা মোবাইলে প্রতি আসক্ত। তারা একটা সময় মোবাইলের প্রতি এতটা আসক্ত হয়ে যাচ্ছে যে তারা নিজেরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। আর এইসব অসুস্থতা নিরাময়ের জন্য ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়ার প্রয়োজন পড়ছে।

আর ডাক্তার যখন এই সকল অসুস্থতার নিরাময়ের চেষ্টা করছে তখন তারা বলে দিচ্ছে যে এটি একটি আইএডি অর্থাৎ এটি এক ধরনের সমস্যা। আপনারা জানেন যে, চিকিৎসা বিজ্ঞানে প্রত্যেকটি সমস্যার আলাদা আলাদা নাম নির্ধারণ করা হয়েছে এবং প্রত্যেকটি সমস্যাকে আলাদা আলাদা ভাবে নির্ধারণ করা হয় এবং সনাক্ত করা হয়।

IAD এর পূর্ণরূপ:-Internet Addiction Disorder

আইএডি এর পূর্ণরূপ কি

শিশুরা যখন মোবাইলের প্রতি আসক্ত হয়ে যায় অর্থাৎ ইন্টারনেটের প্রতি আসক্ত হয়ে যায় তখন তারা আইএডি সমস্যায় ভুগে বা ইন্টারনেট আসক্তি ব্যধিতে ভুগে। তখন সেই সন্তানকে নিয়ে আপনাকে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। ডাক্তার সমস্যা সমাধানের জন্য চিকিৎসা প্রদান করে। এই ইন্টারনেট আসক্তি সমস্যাটা যদি আপনি সমাধান করতে চান তাহলে আপনাকে যেটা করতে হবে তা হল ইন্টারনেটের প্রতি যে শিশু সন্তান বা যেই মানুষটি আসক্ত হচ্ছে তাকে সঠিক পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা প্রদান করতে হবে। তাকে চেষ্টা করতে হবে ইন্টারনেটের মধ্যে থেকে বের করে আনার।

তাকে খেলাধুলার প্রতি আসক্ত করতে হবে, তাকে বাহিরের সকল কর্মকান্ডের প্রতি আসক্ত করতে হবে, তার সাথে কথা বলতে হবে এবং তার প্রতি আলাদা একটি মনোযোগ প্রদান করতে হবে। যাতে করে সে আপনাকে সকল কিছু বলতে পারে সকল বিষয় সম্পর্কে আপনার সাথে আলোচনা করতে পারে। এভাবেই একটি মানুষের কাছ থেকে ইন্টারনেট আসক্তিটি দূর করতে হবে। আপনি যদি তার ইন্টারনেট আসক্তি দূর করতে চান তাহলে আপনাকে বিশেষ কিছু বিষয়ে নজরদারিতে রাখতে হবে। যাতে সে কি করছে, কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে মিশছে, কতটুকু সময় অতিবাহিত করছে সেটা আপনাকে উপলব্ধি করতে হবে। আপনারা জানেন যে, বর্তমানে সাইবার ক্রাইম সম্পর্কে একটি ক্রাইম রয়েছে।

অর্থাৎ এই সাইবার ক্রাইমের সাথে যারা যুক্ত হয় তারা রীতিমতো নিজেদেরকে নিজ শেষ করে ফেলে। তারা রীতিমতো সাইবার ক্রাইমের প্রতি অতি আসক্তি বোধ করে যেখান থেকে বের হওয়া অনেক বেশি কঠিন হয়ে পড়ে। এই আসক্তিটি যদি আপনাকে নিবারণ করতে হয় তবে সূচারু ভাবে সে বিষয়ে চিন্তা করতে হবে এবং এটির মোকাবেলা করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Notun Sokaal