আজকে আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য একটি প্রবন্ধ সাজিয়েছি। যে এই প্রবন্ধের মাধ্যমে আমরা কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করছি। শিক্ষার্থীরা অনেকেই তাদের পড়াশোনার বিষয় সম্পর্কে জেনে নেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু কোন জায়গাতেই সঠিক তথ্যগুলো জেনে নিতে সক্ষম হয় না। আজকে আমরা যেটি নিয়ে শিক্ষার্থীদের সামনে আলোচনা করতে চাই। সেটি প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীরই জেনে নেওয়া প্রয়োজন। আজকে আমরা এসএপিটিএ অর্থাৎ সাপটা সম্পর্কে একটি বিস্তারিত তথ্য আলোচনা করতে চাই।
এই আলোচনাটি যদি প্রত্যেকটি শিক্ষার্থী সঠিকভাবে পড়ে নাই বা প্রত্যেকটি শিক্ষার্থী সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে পারে। তাহলে তাদের শিক্ষা কার্যক্রমে অনেক বেশি এগিয়ে যাবে। শিক্ষার্থীদের বইয়ে উল্লেখ করা হয়েছে SAPTA সম্পর্কে এটি হলো একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। এই সংস্থাটি যে সকল কর্মকাণ্ডগুলো চলমান রেখেছে সেই সকল কর্মকাণ্ডগুলো নিয়ে আমরা নিচে বিস্তারিত আলোচনা করব। তবে শিক্ষার্থীদের জন্য বলতে চাই যে, আমরা প্রতিনিয়ত এই শিক্ষার্থীদের যে সকল বিষয় সম্পর্কে পড়া প্রয়োজন। যে সকল বিষয় সম্পর্কে জেনে নেওয়া প্রয়োজন।
সে সকল বিষয়গুলো নিয়ে প্রতিনিয়ত আমরা আলোচনা করছি। আমাদের এই আলোচনা শামিল প্রত্যেকটি শিক্ষার্থী হতে পারে। তাদের নিজেদের মত প্রকাশ করতে পারে। আমরা যে সকল শিক্ষার বিষয় প্রবন্ধ উপস্থাপন করছি সেই সকল প্রবন্ধ গুলো প্রত্যেকটি শিক্ষার্থী করতে পারবে। প্রত্যেকটি শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবনে এটি অনেক বেশি সাহায্যপূর্ণ হতে পারে। শিক্ষার্থীরা যদি কোন মন্ত্র প্রকাশ করতে চাই তাহলে আমাদের প্রবন্ধের নিচের অংশে যে কমেন্ট বক্সটি রয়েছে। সেই কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের নিজেদের মত প্রকাশ করতে পারবে।
SAPTA এর পূর্ণরূপ:- South Asian Preferential Trade Agreement
এটি মূলত সার্কভুক্ত দেশগুলোর একটি যৌথ বাণিজ্যিক চুক্তি। যা শুধুমাত্র সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যেই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ৬৬ ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ১৯৯৩ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সপ্তম শীর্ষ সম্মেলনে এটি সম্পাদিত হয়। এটি যখন সম্পাদিত হয় তখন সার্কভুক্ত প্রত্যেকটি দেশ অংশগ্রহণ করেছে এবং তাদের মধ্যে সদস্যদের গুলি ১৭৫টি বিষয়ে শুল্কের বিষয়ে আলোচনা করে এবং ১৭৫টি বিষয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনা হয় যে অর্থাৎ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি রাশ ও দারিদ্র্য বিবর্তনের উপর জোর দেওয়া হবে এবং দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য কাজ করা হবে।
সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে যাতে এ সকল সমস্যাগুলোর সমাধান করা যায় সেই সকল বিষয়গুলো নিয়েই এ ধরনের চুক্তি স্বাক্ষরিত করা হয়। এখনো পর্যন্ত সেই শক্তিটি চলমান রয়েছে। আর সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে এই যুক্তিটি ভবিষ্যতে চলমান থাকবে বলে প্রত্যেকে আশা করেন। সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কোন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হলে অর্থাৎ বাণিজ্যিক সুখ ও হ্রাস বৃদ্ধির কোন সমস্যা সৃষ্টি হলে এই চুক্তির নিয়ম অনুযায়ী সেসকল বাণিজ্য চুক্তি সেই সকল শুল্ক বিষয়ক সমস্যার সমাধান করা হয়।
তবে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে যদি বিশেষ কোনো দারিদ্র্য বিমোচনপূর্বক সমস্যা সৃষ্টি হয় তবে এই চুক্তির নিয়ম অনুযায়ী এটি সমস্যা সমাধান করা হয়। এসএপিটিএ এর সম্পর্কে একেকজনের একেক ধরনের মতামত রয়েছে। আপনারা আমাদের এখানে যে সকল বিষয়গুলো দেখছেন এগুলো অফিসিয়াল মতামত। আর এগুলো কোন ধরনের ভুল হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। আর তাই আপনারা এগুলো পড়তে পারেন।
