Tmss এর পূর্ণরূপ কি

Tmss এর পূর্ণরূপ কি

আপনারা জানেন যে, আমাদের দেশে বেশ কয়েকটি এনজিও সংস্থা বা বেসরকারি সংস্থা রয়েছে। যে সকল সংস্থাগুলো আমাদের দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অনেক বেশি সাহায্য করছে। আজকে আমরা এমনই একটি এনজিও সংস্থার বিস্তারিত তথ্য গুলো আপনাদের সামনে উপস্থাপন করার চেষ্টা করব। আজকে আমরা টিএমএসএস নিয়ে একটি বিস্তারিত আলোচনা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছি। আপনারা যারা TMSS সম্পর্কে জানেন তাদেরকে নতুন করে বলার আর কিছু নেই। আর যারা tmss সম্পর্কে জানেন না তাদের জন্যই এই প্রবন্ধটি সাজানো হয়েছে।

এছাড়াও আপনি হয়তো টিএমএসএস সম্পর্কে শুনেছেন বা টিএমএসএস সম্পর্কে জানেন তবুও আপনাকে আমাদের আজকের প্রবন্ধটি পড়ার জন্য জানানো হচ্ছে। কেননা আমরা এই প্রবন্ধের মাধ্যমে যে সকল তথ্যগুলো আপনাদের সামনে উপস্থাপন করব সে সকল তথ্যগুলো হয়তো আপনি অন্য কোন মাধ্যমে খুঁজে পাবেন না। আমাদের প্রবন্ধটি যদি আপনি মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে সকল তথ্যগুলো এই প্রবন্ধের মাধ্যমেই খুঁজে নিতে পারবেন। আপনি যদি এই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে চান তাহলে আপনাকে বিশেষ কিছু বিষয় জানতে হবে।

আপনি যখন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন তখন এই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বেশ কিছু প্রশ্ন আপনাকে করা হতে পারে। সেই প্রশ্নের উত্তর গুলো আপনাকে প্রদান করতে হবে। আপনি যদি সঠিক প্রশ্ন সঠিক উত্তর না প্রদান করতে পারেন তাহলে আপনি সেই মুহূর্ত হতেই বাতিল হিসেবে গণ্য হবেন। আর তাই আপনাকে এ সকল বিষয়গুলো মনোযোগ সহকারে পড়ে নেয়া উচিত।

TMSS এর পূর্ণরূপ:- Thengamara Mohila Sabuj Songho

টিএমএসএস এর পূর্ণরূপ কি

বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ ভিত্তিক এনজিও সংস্থা হল টিএমএসএস। যেটা প্রফেসর ডঃ হোসনেয়ারা বেগম বগুড়া জেলায় প্রথম প্রতিষ্ঠা লাভ করেন ১৯৮০ সালে। তবে এটির কার্যক্রম শুরু হয় তারও অনেক আগে অর্থাৎ ১৯৬৪ সালে বগুড়া জেলার ভেঙ্গামুড়া গ্রামের দুজন ভিক্ষুকের হাত ধরে এই এনজিও সংস্থাটির কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তীতে সময়ের সাথে সাথে এই এনজিও সংস্থাটির পরিধি বাড়তে থাকে। আর একটা সময় এটি অনেকের কাছে একটি বিশ্বস্ত জায়গা দখল করে নেয়। আর এভাবেই সংস্থাটি মানুষের কাছে অনেক বেশি বিশ্বস্ত হয়ে উঠেছে।

এই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে যদি আপনার আরো কিছু জানার প্রয়োজন হয় তাহলে আপনি গুগলের মাধ্যমে জেনে নিতে পারবেন। আপনি চাইলে গুগলের মাধ্যমে সকল তথ্যগুলো আপনি জেনে নিতে পারবেন। তবে আপনি যদি আমাদের এই প্রবন্ধ পড়েন তাহলে সকল তথ্যই আমাদের এই প্রবন্ধের মাধ্যমে জেনে নিতে পারবেন। আপনারা হয়তো জানেন যে, এই প্রতিষ্ঠানটি প্রশিক্ষণ, ক্ষমতায়ন প্রতিষ্ঠান সংগঠন, মানব সম্পদ উন্নয়ন, পরিবেশ উন্নয়ন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় জলবায়ু পরিবর্তন, নারী উদ্যোক্তার প্রবৃদ্ধি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা, লিঙ্গ, সম্পর্ক উন্নয়ন ইত্যাদি আরও অনেক ধরনের কাজ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের সদস্য সংখ্যা অর্থাৎ কর্মী সংখ্যা ৩৬ হাজারেরও বেশি।

এই প্রতিষ্ঠানটি সদর দপ্তর বগুড়া জেলায় অবস্থিত। বগুড়া জেলা থেকে এই প্রতিষ্ঠানটি সকল কার্যক্রম সম্পাদনা করে থাকে। আপনি যদি এই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে চান তাহলে আমাদের আজকের প্রবন্ধটি আপনাকে পড়তে হবে এবং এখান থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তারপরে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। কোনো ভাবে ভুল তথ্য উপস্থাপন করা যাবে না। ভুল তথ্য উপস্থাপনকারীর আবেদন বাতিল হিসেবে গণ্য করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Notun Sokaal