I love you এর পূর্ণরূপ কি

I love you এর পূর্ণরূপ কি

I love you নিজেই একটি শব্দ। আসলে এই শব্দটির পূর্ণ মিনিং বা ফুল মিনিং নাই । তবে দেখা যায় যে অনেকেই এই কথাটির ফুল মিনিং বের করার চেষ্টা করেন । পৃথিবীতে যে সকল কথাগুলো সবচেয়ে বেশি বলা হয় তার মধ্যে অন্যতম হলো আই লাভ ইউ বা আমি তোমাকে ভালবাসি এই কথাটি। সবচেয়ে বেশি ইমোশনাল কথা হলো এটি বা আমি তোমাকে ভালবাসি এই কথাটি।

এজন্য দেখা যায় যে আই লাভ ইউ এই কথাটি সম্পর্কে অনেক মানুষই আগ্রহী থাকে এবং এই কথাটি আসলে কিভাবে আসলো বা কথাটি বলতে কি বুঝায় এইগুলো অনেকেই জানতে চায়। আবার অনেকেই অনলাইনে সার্চ করতে থাকে। এজন্য মূলত আজকে আই লাভ ইউ এই কথাটি সম্পর্কে লেখা হয়েছে আমাদের আজকের আর্টিকেলটর মাধ্যমে। এখান থেকে যে কেউ খুব সহজেই এ সম্পর্কে জানতে পারবেন বলে আশা করছি।

পৃথিবীতে অনেক বেশি ইমোশনাল কথাগুলো গুরুত্ব পায়। যেমন একটি পরিবারের সকল সদস্যই একে অপরকে সম্মান করে এবং ভালোবাসে। তারা একে অপরকে ভালোবাসার ফলেই ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বলে আমি তোমাকে ভালবাসি । যদি গভীর ভাবে ভাবা যায় তাহলে দেখা যাবে যে পৃথিবীতে এত পরিশ্রম, এত কিছুর মূলে রয়েছে ভালোবাসা।

মানুষ ভালোবাসার জন্যই সারাদিন এত বেশি পরিশ্রম করে এবং নিজের জীবনকে তুচ্ছ মনে করে সবকিছু করতে রাজি হয়। তাই ভালোবাসা শব্দটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং অনেক বেশি গভীর । যদিও ভালবাসি কথাটি অনেক ছোট্ট একটি শব্দ, তারপরেও এর মধ্যে অনেক বেশি ইমোশন রয়েছে এবং এর তাৎপর্য অনেক বেশি। যে সকল মানুষ এর গুরুত্ব টি বুঝতে পেরেছে সে সকল মানুষই ভালোবাসার জন্য নিজেকে নিয়োজিত করে ফেলেছে। আর সবকিছু করতে দ্বিধাবোধ করে না।

এই ভালোবাসা শব্দটিকে নিয়ে কবি, সাহিত্যিকরা কত গল্প, কবিতা লিখে রেখে গেছেন তার হিসাব নেই। বর্তমান সময়েও কবি, সাহিত্যিকরা এই ভালোবাসা নিয়ে অনেক বেশি গল্প, কবিতা লিখছে। পৃথিবীর শুরু থেকে এ পর্যন্ত পৃথিবী টিকে রয়েছে বা মানুষ জাতি টিকে রয়েছে এই ভালোবাসার ফলে। যদি ভালোবাসা না থাকতো তাহলে এই পৃথিবী এতদিন ধ্বংস হয়ে যেত।

ভালোবাসার ফলে মানুষ একে অপরকে আগলে রেখেছে এবং সম্মান ও শ্রদ্ধা করতে পারছে এবং সমাজে টিকে থাকতে পারছে। যদি এই সমাজে ভালোবাসায় না থাকতো তাহলে কখনো এই সমাজ টিকে থাকতো না , এই পৃথিবী এগিয়ে যেতে পারত না। তাই প্রয়োজন ভালোবাসার, প্রয়োজন একে অপরকে সম্মান করার।

ভালোবাসার কথাটি বিভিন্ন জাতি তাদের নিজ নিজ ভাষায় বলে থাকে। যে ভাষাতেই বলুক না কেন, তাদের ইমোশন কে প্রকাশ করতে মূলত ভালোবাসার কথাটা বলা হয়। বলা হয়ে থাকে ভালোবাসার জন্য মানুষ সব করতে পারে, কথাটি আসলেই বাস্তব। আমরা যদি উদাহরণ হিসেবে বলি ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কথা। তাহলে দেখা যায় যে মানুষ তখন নিজের জীবনকে তুচ্ছ মনে করে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছে শুধুমাত্র নিজের দেশকে ভালোবাসে বলে। নিজের দেশের স্বাধীনতার জন্য যদি দেশ প্রেম না থাকতো, দেশের প্রতি ভালোবাসা না থাকতো , তাহলে এইভাবে জীবন বিলিয়ে দেওয়া সম্ভব হতো না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Notun Sokaal