বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা, এই বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা সমালোচনা করে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক সমস্যা সমাধানে অনেক বেশি সোচ্চার ভূমিকা পালন করে। আমরা আজকে ডাব্লিউটিও নিয়ে যেই আলোচনাটি আপনাদের সামনে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছি সেই আলোচনাটি আমাদের প্রত্যেকের জেনে নেওয়া প্রয়োজন।
আমাদের প্রত্যেকেরই এই আলোচনা সাথে নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করার প্রয়োজন। এজন্যই আমরা এই প্রবন্ধটি এতটা সাবলীল ভাবে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছি। আপনি যদি এই প্রবন্ধটি মনোযোগ সহকারে পড়ে থাকেন তাহলে আপনি জানতে পারবেন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা কিভাবে কাজ করে? বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা কোন কোন পন্থা অবলম্বন করে তাদের সকল কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে। এ সকল বিষয়গুলো আমাদের জেনে নেওয়া প্রয়োজন। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক চুক্তি বাণিজ্যিক প্রসার মুক্ত বাণিজ্যের প্রসার এবং বাণিজ্যের অশুল্ক বাধা সমূহ দূর করা নিয়ে কাজ করে থাকে। এটি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
আর এর সদর দপ্তর হিসেবে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে একটি সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়েছে। সেখান থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তারা বাণিজ্য চুক্তি বাণিজ্য প্রসার এবং বাণিজ্যের অসংখ্য বাধা সমূহ দূর করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। আপনার আমার মাঝে অনেকেই রয়েছেন যারা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য অনেক ওয়েবসাইটে ঘোরাফেরা করেছেন। কিন্তু কোন ওয়েবসাইটে সঠিক তথ্য পাননি। তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই আপনি যদি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে চান তাহলে আমাদের প্রবন্ধের মাধ্যমে জেনে নিন।
WTO এর পূর্ণরূপ:- World Trade Organisation
ডব্লিউটিও এর পূর্ণরূপ কি
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা যখন স্থাপন করা হয় তখন সামান্য কিছু দেশ নিয়ে এই কাজটি শুরু করা হয়। পরবর্তীতে এটি সাথে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের বিভিন্ন কিছু দেশ এর সাথে সংযুক্ত হয় এবং এর প্রসার করতে থাকে বর্তমানে একটি বিশাল আকার আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে এটি উদ্ভাবিত হয়েছে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা তিনটি লক্ষ্য নিয়ে তাদের কর্মকাণ্ডগুলো পরিচালনা করছে সেগুলো হল:
● বিশ্ব বাণিজ্যের প্রসার
● মুক্ত বাণিজ্যের প্রসার
● বাণিজ্যের অ শুল্ক বাধা সমূহ দূর করা
এই তিনটি উদ্দেশ্য নিয়ে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা তাদের সকল কার্যক্রম গুলো সম্পন্ন করার চেষ্টা করছে এবং তারা সফল হচ্ছে। তারা এখনো পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাণিজ্য প্রসারের জন্য অনেক ধরনের ভূমিকা পালন করেছে। আর সে সকল ভূমিকা পালন করার জন্য বিশ্বের এই সকল দেশের অনেক পণ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছে। আমরা আমাদের বাংলাদেশের অনেক পণ্য এই বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশ্বের বিভিন্ন মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছি।
ঠিক তেমনি আরো অনেক দেশ রয়েছে যারা কোন ধরনের সুযোগ-সুবিধা পায় না তারা বাণিজ্য কর্মকাণ্ড পরিচালনা করার জন্য বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার কাছ থেকে অনেক ধরনের সহায়তা গ্রহণ করে। যে সকল সহায়তা গ্রহণের জন্য তারা এখনো অনেক লাভবান হচ্ছে। আর এ সকল কারণে বিশ্বের বাণিজ্য ব্যবস্থাটি এত বেশি প্রসার লাভ করছে। আমাদের প্রত্যেকের উচিত এই বিশ্ববাণিজ্য সংস্থাকে সহায়তা করা যাতে করে তারা আরো বেশি বেগবান হতে পারে।
